Job Description
বিজ্ঞানচর্চায় মেধার স্বীকৃতি দিতে বরাবরই অগ্রণী নারায়ণা স্কুল (Narayana School)। সম্প্রতি ‘কিশোর বৈজ্ঞানিক প্রোৎসাহন যোজনা’ বা KVPY পরীক্ষায় স্কুলের ১৭৯ জন পড়ুয়া অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গ শাখা থেকে ১৭ জন পড়ুয়া প্রথম ১০০০-এর মধ্যে স্থান করে নিয়ে রাজ্যের নাম উজ্জ্বল করেছে।
পুরস্কার ও আর্থিক বৃত্তি
সফল পড়ুয়ারা যাতে ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে আরও গবেষণামূলক কাজ করতে পারে, তার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে:
- নগদ পুরস্কার: মেধা তালিকায় শীর্ষে থাকা পড়ুয়াদের জন্য মোট ৩.৫ লক্ষ টাকার নগদ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে।
- শিক্ষা বৃত্তি: কৃতী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার খরচ বহন করার লক্ষ্যে বিশেষ স্কলারশিপের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সাফল্যের নেপথ্যে: নারায়ণা স্কুলের ত্রিমুখী কৌশল
গত ৪৩ বছর ধরে প্রতিভা গড়ার কাজে নিযুক্ত নারায়ণা স্কুলের সাফল্যের চাবিকাঠি হলো তাদের বিশেষ শিক্ষাদান পদ্ধতি:
১. বিশেষজ্ঞ সিলেবাস
অভিজ্ঞ শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের দ্বারা তৈরি বিশেষ পাঠ্যক্রম যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার উপযোগী।
২. নিরন্তর মূল্যায়ন
লাগাতার পরীক্ষার মাধ্যমে পড়ুয়াদের অগ্রগতি যাচাই এবং দুর্বলতা চিহ্নিত করা।
৩. দুর্বলতা দূরীকরণ
যেসব জায়গায় খামতি থাকছে, সেগুলো দূর করতে বিশেষ ডাউট ক্লিয়ারিং সেশন ও তৎপরতা।
আগামীর লক্ষ্য:
নারায়ণা স্কুল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, KVPY-র এই সাফল্য কেবল শুরু। ভবিষ্যতেও জেইই (JEE), নিট (NEET)-এর মতো সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছাত্রছাত্রীদের এই জয়ের ধারা বজায় রাখাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য বা ‘পাখির চোখ’।